Category Archives: Life

জীবন থেকে শিক্ষা

আমার মনে হয় মানুষের সাথে আমার একটা নির্দিস্ট দূরত্ব রেখে মেশা উচিত যাতে পরে কষ্ট না পেতে হয়। অতীত থেকে শিক্ষা নিতে চেস্টা করি সব সময় 🙂

এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন

এই বয়সে আইসে পড়াশুনা করতে আর ইচ্ছা করেনা -_- অস্তিত্বহীন প্রেম

আমার বয়সী সবাই রিলেশান টিলেশান রাখে আমিই মনে হয় এদিকটায় কিছুটা ব্যতিক্রম … মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেদের একটু ব্যাতিক্রম হতেই হয় কারণ ক্যারিয়ার আর রিলেশান এক সাথে মেইন্টেইন করাটা তাদের জন্য একটু কস্টকর, অনেকেই পারে কিন্তু আমি পারিনা। তার ওপর বাপের টাকায় ডেটিং আর মোবাইলের বিল দিতে আমি কোনোভাবেই রাজি নই, করলে নিজের টাকায়…সিজিপিএ, প্রোগ্রামিং, রিসার্চ আর ফিটনেস  একইসাথে মেইন্টেন করতে গিয়ে আন্ডারগ্র্যাডে অনেক সুযোগ থাকা সত্তেও সময়ের অভাবে ইচ্ছা করেই আমি কারো দিকে তাকাইনাই….এজন্য আমি অনেকের কাছেই সর‍্যি…কাউকে যে ভাল লাগে নাই তানা কিন্তু অধিকাংশ মেয়েদেরই ফ্রেন্ডজোনড করে রাখার একটা বদঅভ্যাস আছে, এটা ভাল একদিক দিয়ে কারো কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ মেলে কিন্তু যেহেতু পাওয়ার প্রোবাবিলিটি খুব কম তাই আমার সেটায় অরুচি আছে….তাছাড়া আব্বা আম্মার আমার পিছনে খরচের কথা ভাইবে ওদিকে আর পা মাড়াইনাই…প্রাইভেট ভার্সিটিতে পরি…নিজেরই একটা বিশাল খরচ আছে, এখানে আদিখ্যেতা করা এক প্রকার বিলাসিতা…অনেকে বলবেন এরকম করলে কি আর রিলেশান হয় রে বোকা ! প্রেম তো মানে না বাধন, লাভ ইজ ব্লাইন্ড…কিন্তু বাস্তবতা হল আপনি রুম ডেট, ফোন, স্কাইপি আর ফেসবুকের ইনবক্সে লিলাখেলা করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনার বাবার সামাজিক অবস্থান অনু্যায়ীই আপনাকে এক সময় কারো সাথে বিয়ের পিড়িতে বসতে হবে…আমি আমার এই ক্ষুদ্র জীবনে তাইই দেখেছি…৭-৮ বছর চুটিয়ে প্রেম করার পরও তা গোপন করে বিদেশী কারো হাত ধরে চলে যাওয়া দেখেছি, বিসিএস ক্যাডার কিংবা অর্থকড়িওয়ালা পাত্র পেয়ে সম্পর্ককে লাল কার্ড দিয়ে যাওয়া দেখেছি…এই সমাজে আসলে এগুলাই হয় রোমান্সের চেয়ে লাভজনক পুজিবাদটাই মুখ্য…এগুলা সবসময় আবার প্রকাশিতও হয়না তাই অনেকে জানে না আর তাদের অধিকাংশই কল্পনায় ভেসে বেড়াতে ভালবাসে…তবে আমি কিছুটা বাস্তবতায় বিশ্বাস করতে ভালবাসি সেই সাথে আমি সাম্যাবস্থায়ও বিশ্বাসী..নিজের স্ট্যাবলিটি না আসা পর্যন্ত কাউকে নিয়ে স্বপ্ন বুনব না…সে যদি আমার নাই বা হবে তাহলে তো তাকে ছোয়াও পাপ…আর তার পেছনে আমার মূল্যবান সময়ই বা কেন দিব ? বিনে পয়সায় আরেকজনের বঊয়ের পাহারাদার হয়ে থেকেই বা লাভ কি ? আইডেন্টি ক্রাইসিস কিংবা সামাজিক অর্থকড়ি যেই সমাজে মূখ্য সেই সমাজে রোমান্স টা গৌন হয়েই থাকবে আর রুমডেটিং ওয়ালাদের সংখ্যাই বৃদ্ধি পাবে, সমাজে ডিভোর্সরেট আর পড়কিয়ার সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে, ধর্মীয় ব্যাপারগুলা কেবল আসবে দুই ঈদ পালনে এটাই এখনকার যুগে কঠিন বাস্তব সত্য।

খুব একটা প্রকাশ করি না বলে হয়তবা অনেকেই ভাবে আমি হিউম্যান ফিলিংস এর ব্যাপার গুলায় আগ্রহী নই কিন্তু আপনার মতন আমারো মন আছে, আমিও মানুষ, প্রোগ্রামিং আর পড়াশুনা করে ভাত খাওয়ার আপ্রাণ চেস্টা করে যাচ্ছি বলে কিছুটা ইন্ট্রোভার্ট প্রকৃতির হওয়ায় নিজের ভেতর চেপে রাখতে হয় ফিলিংসগুলো…আর সবার মতই কাউকে পাওয়ার তীব্র ব্যাকুলতা আমারো আছে , ছিল এবং থাকবেই কাউকে না পাওয়া পর্যন্ত …হয়তবা এত দিন কাউকে পাইনাই বলে ভবিষ্যতে কাউকে পাবো না তা তো নয় ! নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার জন্য চক্ষুশীতলতাকারী কাউকে রেখেছেন আমার মনের মতন করে এ বিশ্বাস আমার আছে…আমার ফিটনেস লাইফস্টাইল, লাইব্রেরীতে ঘন্টার পর ঘনটা বই পড়াটা যার কাছে অনেক বেশী গুরুত্ব পাবে…মিনিটে মিনিটে ফোনে কথা না হলেও যার সাথে ব্রেকাপ হয়ে যাবে না…যার সাথে বসে কোড ডিবাগ করে দিন রাত কাটিয়ে দেয়া যাবে…আমার চোখে সুন্দরী এরকম কাউকে পেলে আমি নিশ্চিন্তে বাকি জীবন টাও কাটিয়ে দিতে পারব তার সাথে এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত 🙂

[বিদ্রঃ এরকম কাউকে না পেলেও খুব একটা ক্ষতি নেই, কিন্তু প্রতিটা মানুষেরই কাউকে নিয়ে প্রবল আকংখা থাকে…কোনো কিছুই তো এ পৃথিবীতে পারফেক্ট নয়…এরকমই কাউকে পেতেই হবে এমনটাও নয় কিন্তু বাসনা থাকাটাও তো অন্যায় নয়, তাই নয় কি ? 🙂 ]

ফোকাস, কাজ, প্রোডাক্টিভিটি

যে কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ যেমনঃ প্রোগ্রামিং, এক্সামের প্রিপ, পারসোনাল ডেভেলপমেন্ট, নতুন কিছু শিখা ইত্যাদির সময় নিজেকে নিজে ডেডলাইন না দিতে পারলে মন এদিক সেদিক চলে যাবেই…নিজেকে এক বিন্দুতে ফোকাস করতে না পারলে কাজ করার জন্য পিসি নিয়ে বসলেও মন পড়ে থাকবে ইউটিউব, ফেসবুক কিংবা অন্য কোথাও!..তাই কাজের ফাকে নিজেকে অবশ্যই বিরতি দেয়া উচিত…এজন্য বারান্দা থেকে ঘুরে আসা যায় অথবা এক গ্লাস পানি খেয়ে ফেলা যায়…ছোটো ছোটো ভাগে নিজের কাজটাকে ভাগ করে সেটাকে গোল হিসাবে এগিয়ে নিতে পারলে এবং তাতে হালকা পাতলা সাকসেসফুল হলে মাঝে মাঝে টুকটাক সেলিব্রেট করতে হবে একা একাই। তানাহলে পরবর্তীতে নিজেকে এগিয়ে নেয়ার ইন্সপাইরেশন পাওয়া যাবে না…এজন্য মোটিভেশন পেতে সাইক্লিং কিংবা অনেকক্ষণ জিম করা যায় কিংবা বাইরে থেকে থেকে ফ্রাইড চিকেন কিংবা পাস্তা খেয়ে আসা যায়। এরফলে পরবর্তী কাজগুলোতে ফোকাস করা অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
#ফোকাস #কাজ #প্রোডাক্টিভিটি

"বন্ধুত্ব"

“বন্ধুত্ব” এর সবচেয়ে ভাল সংজ্ঞাটা হয়ত বোঝানো যাবে টং দোকানের চায়ের আড্ডায় ধোয়া ঊঠতে থাকা এক কাপ লাল চায়ে চুমুক দেয়ার মাঝে…..বন্ধুত্ব পাওয়া যাবে ক্লাস আর এক্সামের প্যারা শেষে একটু খানি শান্তির আশায় আড্ডাবাজিতে…বন্ধুত্ব পাওয়া যাবে দল বেধে কোথাও ঘুরতে গিয়ে চেক ইন দেয়ার মাঝে…বন্ধুত্ব আসলে সর্বদাই বিরাজমান…বন্ধুত্ব অবিনশ্বর…আজ পর্যন্ত স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় সহ আমার লাইফের বিভিন্ন স্টেজে পরিচয় হওয়া সকল বন্ধুদের জানাই বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা ^_^ <3 হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে টু অল 🙂

আক্ষেপ :(

৪ বছরের ভার্সিটি লাইফ শেষের দিকে হলেও বের হয়ে একটা আক্ষেপ হয়ত থেকে যাবে…বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রাইভেট/পাবলিক ভার্সিটি গুলোর সিএসই বা এই ধরনের সাবজেক্ট গুলোতে আস্যাইনমেন্ট,কুইজ,প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি ইত্যাদি যতটা জোর দিয়ে করানো হয় সেটা ঠিক আছে কিন্তু এই সিস্টেম এ প্রোগ্রামিং এর লজিক ডেভেলপমেন্ট এ ঠিক ততটা জোর দেয়া হয় না…যা করার নিজেকে এই সিস্টেম এর বাইরে গিয়ে করতে হয়…কিন্তু জগদ্দল পাথরের মতন এই সিস্টেম ঘাড়ের ওপর চেপে বসে থাকে…না এইটা করতে দেয় না ঐটা আবার অনেকের মতে এই সিস্টেম এর মধ্যে কিছু করে দেখাতে পারলা না মানে তুমি খারাপ…আমার প্রশ্ন হল সবাইকেই কেন একই সিস্টেম এর মাঝে চলতে হবে ? যার যেইটা ভাল লাগে তাকে সেটার ভিত্তিতে কেন মার্কিং দেয়া হয় না ? ……এই দেশের এডুকেশান সিস্টেম টা যদি আরেকটু উন্নত হইত তাইলে আর কিছু চাইতাম না… 🙁

পৃথিবীর অলিখিত নিয়ম

মাঝে মাঝে পুরো পৃথিবীর স্বার্থেই নিজেকে পুরো পৃথিবীকে থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের মাঝে ডুবে থাকতে হয়…এটা এই পৃথিবীরই অলিখিত নিয়ম

Celebrating Our Victory Day 16 December, 2015 Bangladesh

বিজয় দিবসের বিকেলে আমার অসম্ভব প্রিয় সাইকেল টা নিয়ে সাইক্লিং করে আসলাম হাতির ঝিল থেকে….মাঝখান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যায়াম ও হয়ে গেল

victory day 16 december