Category Archives: Motivation

Never give up ! :)

x2016_09_25_21_0_b-jpg-pagespeed-ic-vfjsucielt

 

2016-09-25-07_41_26-eprothomalo

আত্মদিবস – Motivation from ঝংকার মাহবুব ভাই

পুরো লিখাটার Credit: Jhankar Mahbub ভাইয়ের…নিজেকে নিজের মোটিভেশান দেয়ার জন্য আমার ব্লগে রেখে দিলাম 🙂

সপ্তাহে একদিন, মাসে অন্ততঃ দুইদিন কি নিজের জন্য রাখা যায় না? স্রেফ নিজের জন্য। সেদিন টিভি দেখলা না, ফেইসবুকিং করলা না, বাইরে ঘুরাঘুরি-আড্ডা দিলা না। কেউ দেখা করতে চাইলে তাকে শরীর খারাপ কিংবা দেশ থেকে চাচা আসছে- চাচাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে বলে- দেখা করলা না। দিনের প্রায় সবটুকু সময় নিজের জন্য রাখবা। আর এই দিনকে বলবা- আত্নদিবস।
.
প্রত্যেকটা আত্নদিবস কিভাবে উদযাপন করবা সেটা আগে থেকে ঠিক করে রাখবা। এমন কিছু একটা করলা, যেটা অনেকদিন ধরে করতে চাইতেছো কিন্তু করা হয়ে উঠতেছে না। এমন কিছু একটা শিখলা, যেটা অনেক দিন ধরে শিখবো শিখবো করে আশা করতেছো কিন্তু পড়াশুনার ঠেলায়, ফাঁকিবাজির মেলায় করা হয়ে উঠতেছে না। সেটা হতে পারে গিটারের কর্ড ধরতে শিখা, ক্যামেরার অপশনগুলা ভালো করে গুঁতায় গাতায় দেখা, পত্রিকায় আর্টিকেল লেখা, ফটোশপ বা কোন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামিং এর একটা বাংলা বই নিয়ে দেখে দেখে ১০০ পাতা পর্যন্ত যা যা করতে বলছে তা তা করে ফেলা, কিংবা প্রিয় মানুষটাকে মুগ্ধ করার জন্য তাকে নিয়ে কোন হেব্বি রোমান্টিক একটা গান লিখে ফেললা। জাস্ট একটা দিনই তো। সেদিন অন্যদের সাথে একটু কম মজা করে নিজের ইচ্ছার পূরণের আনন্দ করলা।
.
স্টুডেন্ট লাইফে কয়েকদিন পরপর আত্নদিবস পালন করতে পারলে, খুব সহজেই ৯৫% পোলাপানরে পিছনে ফেলে দিতে পারবে।মনে রাখবা, পাশ করে গেলে চাকরির প্রেসারে, বিয়ে করলে সংসারের চাপে, পোলা-মাইয়া পয়দা হইলে তাগো ক্যাচালে, নিজের ইচ্ছা- নিজের স্বপ্নের অনেক কিছুই হারিয়ে যাবে। তখন যাতে- আফসোস না থাকে সেই জন্যই আত্নদিবস।
.
আত্নদিবসের আউটকাম হবে- ফিউচারের আফসোস বাক্স খালি রাখা। যাতে বুড়া বয়সে বলা না লাগে- আরেকটু সময় দিলে টপ লেভেলের এথলেট হতে পারতাম, ঐখানে রেগুলার প্রাকটিস করতে পারলে হয়তো টিভিতে গান গাইতে পারতাম। ওদের মতো পড়ালেখা করলে আমিও হায়ার স্টাডির জন্য দেশের বাইরে যেতে পারতাম। কিংবা সময়মতো শুরু করলে হয়তো বিসিএসে চান্স পেয়ে যেতাম।
.
তাই আত্নদিবসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, নিজের সখ- স্বপ্ন, ইচ্ছা, আশাটাকে হাতের নাগালে আনার জন্য ডিডিকেটেড সময় ইনভেস্ট করা। পুরা একদিন ম্যানেজ করতে না পারলে অর্ধেক অর্ধেক করে দুই দিন মিলিয়ে একটা আত্নদিবস সেট করো। প্রয়োজন হলে তিন ঘন্টা তিন ঘন্টা করে আত্নদিবস পালন করো। তারপরেও আত্নদিবস পালন করতে হবে। কারণ আত্নদিবস পালন না করলে- তুমি আর তুমি হয়ে উঠতে পারবে না।

ফোকাস, কাজ, প্রোডাক্টিভিটি

যে কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ যেমনঃ প্রোগ্রামিং, এক্সামের প্রিপ, পারসোনাল ডেভেলপমেন্ট, নতুন কিছু শিখা ইত্যাদির সময় নিজেকে নিজে ডেডলাইন না দিতে পারলে মন এদিক সেদিক চলে যাবেই…নিজেকে এক বিন্দুতে ফোকাস করতে না পারলে কাজ করার জন্য পিসি নিয়ে বসলেও মন পড়ে থাকবে ইউটিউব, ফেসবুক কিংবা অন্য কোথাও!..তাই কাজের ফাকে নিজেকে অবশ্যই বিরতি দেয়া উচিত…এজন্য বারান্দা থেকে ঘুরে আসা যায় অথবা এক গ্লাস পানি খেয়ে ফেলা যায়…ছোটো ছোটো ভাগে নিজের কাজটাকে ভাগ করে সেটাকে গোল হিসাবে এগিয়ে নিতে পারলে এবং তাতে হালকা পাতলা সাকসেসফুল হলে মাঝে মাঝে টুকটাক সেলিব্রেট করতে হবে একা একাই। তানাহলে পরবর্তীতে নিজেকে এগিয়ে নেয়ার ইন্সপাইরেশন পাওয়া যাবে না…এজন্য মোটিভেশন পেতে সাইক্লিং কিংবা অনেকক্ষণ জিম করা যায় কিংবা বাইরে থেকে থেকে ফ্রাইড চিকেন কিংবা পাস্তা খেয়ে আসা যায়। এরফলে পরবর্তী কাজগুলোতে ফোকাস করা অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
#ফোকাস #কাজ #প্রোডাক্টিভিটি

এসিএম আইসিপিসি মোটিভেশনাল সেশান

ভার্সিটির প্রথম থেকেই এসিএম কি বুঝার চেস্টা করে আসতেসি…ভার্সিটি লাইফ শেষ হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে কিন্তু এখনও তেমন একটা বুঝে উঠতে পারি নাই…তবে এসিএম নিয়ে এই ধরনের মোটিভেশনাল সেশান গুলোতে থাকার চেস্টা করি…মাথায় কিছু ঢুকলে নিজেকে আমার অনেক ভাগ্যবান বলে মনে হয় তখন…তো গতকাল আমাদের ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই ডিপার্টেমেন্ট এর হেড প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন স্যারের(https://en.wikipedia.org/wiki/Syed_Akhter_Hossain) আমন্ত্রনে এসেছিলেন পৃথিবীর দ্রুততম জাজিং ইঞ্জিন কোডমার্শালের জনক, মুক্তসফট এর সিইও মাহমুদুর রহমান স্যার…

উনি এসিএম আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালিস্ট হিসেবে গতকাল অনেক কিছু শেয়ার করলেন ওনার জীবন থেকে…অনেক কিছু শিখলাম জানলাম… বিকাল ৫ঃ৩০ থেকে শুরু হওয়া এই সেশন রাত ৮ টা অবধি চলল…শেষ বেলায় ভার্সিটির হয়ে আইসিপিসির রিজিওনাল এ পারটিসিপেট করতে যাওয়া প্রোগ্রামিং কন্টেসেটেন্ট রা মঞ্চে দাড়িয়ে….. তারা আমাদের ভার্সিটির গর্ব…কারণ তারা আমাদের ভার্সিটি কে রিপ্রেজেন্ট করেন তাদের শানিত মেধা,তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর মনন দিয়ে…প্রব্লেম সল্যুশান করার মাধ্যমে…তারা আমাদের দেশের ও গর্ব কারণ তাদের কারণে আমাদের লাল সবুজ পতাকা বিভিন্ন জায়গায় শোভা পায় গর্বের সাথে…ইনফরম্যাটিক্স অলিম্পিয়াড গুলোতে আমাদের দেশ এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে… পারটিসিপেন্ট দের সবাই হয়তবা মঞ্চে নেই…তবে তাদের সবাইকে দেখলে নিজেকে এগিয়ে নেয়ার অনুপ্রেরণা পাই…মঞ্চে দাঁড়ানো এদের কেউ হয়ত বা আমাদের শ্রদ্ধেয় বড়ভাই, ব্যাচমেট অথবা ঘনিষ্ঠ বন্ধু অথবা ছোটভাই…আমরা অনেকেই হয়ত তাদেরকে কে চিনিনা রেগুলার কন্টেস্ট করি না বলে কিন্তু তারা নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যান প্রতিনিয়ত… বাংলাদেশের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রত্যেক ব্যাচেই কিছু সেই মাপের প্রব্লেম সল্ভার থাকেন…তারা সেরকমই

আমি নিজে ভাল প্রব্লেম সল্ভার হতে পারিনাই কিন্তু আমি চাই আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই প্রব্লেম সল্ভার এবং কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামার এর সংখ্যা টা আরো বারুক…প্রব্লেম সল্ভিং এর গুরুত্বটা আমাদের ছেলে মেয়েরা বুঝুক…একটা ভাল মোবাইল অ্যাপ কিংবা ওয়েব অ্যাপ বানাতে হলে প্রব্লেম সলভ এর যে কোনো বিকল্প নাই এটা যেনো আমরা অনুধাবন করতে পারি…দেরীতে হলেও সরকারীভাবে আমাদের হাই স্কুল পর্যায়ের এনএইচসিপিসি,মেয়েদের জন্য সম্পূর্ণ একটা আলাদা কন্টেস্ট শুরু হয়েছে এটাও অনেক বড় একটা ব্যাপার.দেশের রূট লেভেল থেকে শুরু হওয়া ট্যালেন্ট খুজে বের করার এই উদ্যোগ গুলো ভাল কিছুই নিয়ে আসবে দেশের জন্য…আর ম্যাথ অলিম্পিয়াড,IOI,এসিএম ইত্যাদি ব্যাপার গুলো আমাদের দেশে আরো বেশী করে বৃদ্ধি পাক , মানুষজন ব্যাপার গুলা জানুক এই কামনায় শেষ করছি। 🙂

acm-icpc