Category Archives: Programming

সিজি অথবা প্রোগ্রামিং পারা কিংবা দুটাই !

http://silverjubilee2.blogspot.com/2016/07/cgpa.html

CSE না EEE?

 

https://www.google.com/search?q=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%87+%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A7%87+%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%82+%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE&rlz=1C1PRFC_enBD706BD706&oq=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%87+%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A7%87+%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%82+%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE+&aqs=chrome..69i57.23359j0j1&sourceid=chrome&ie=UTF-8#q=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%87+%E0%A6%AA%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A7%87+%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%82+%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF+%E0%A6%A8%E0%A6%BE&start=20

 

http://shakilcompetitiveprogramming.blogspot.com/2016/03/programming-interview-rajon-bardhan.html

 

http://programabad.com/questions/320/

প্রোগ্রামিং নিয়ে যত কথার সংকলন

Interview Question List:
https://www.facebook.com/groups/devskillbd/permalink/358793414515364/

https://www.facebook.com/groups/devskillbd/permalink/358835427844496/

https://www.facebook.com/groups/devskillbd/permalink/359343184460387/

https://www.facebook.com/groups/devskillbd/permalink/358655564529149/

আমার বাসার নতুন অতিথি :)

আমার বাসার নতুন অতিথি 🙂

13692545_1136955929659034_3276177486502484177_n

প্রোগ্রামারদের জন্য চোখ ভাল রাখার টিপস

 source:
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2016/01/09/318596#.VzPkh4R97IU

 

অনেকক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করেন? জেনে নিন চোখের যত্ন


কম্পিউটার মনিটরে নিয়মিত ও অনেকক্ষণ ধরে কাজ করলে চোখের নানা সমস্যা ও উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই জেনে নিন কিভাবে কম্পিউটারে কাজ করার সময় চোখকে সুরক্ষা করবেন।

প্র: কম্পিউটারের সামনে একটানা কাজ। অথচ কিছুক্ষণ পরেই চোখ কড়-কড় করে, কখনো বা লাল হয়ে যায়।
উ: একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে চোখের পাতা পড়ে না। চোখের পানি শুকিয়ে যায়। তার জন্য এত সব সমস্যা। বার বার চোখের পাতা ফেললে সমস্যা হবে না।

প্র: কাজের সময় সে কথা মনে থাকবে নাকি?
উ: না হলে তো সমস্যা হবেই। একটানা দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের পেশি ক্লান্ত হয়ে যেমন পায়ে ব্যথা হয়, এটাও তেমনই। চোখের পাতা না পড়লে চোখের পেশিও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কাজের ফাঁকে আধ ঘণ্টা অন্তর কম্পিউটার থেকে চোখ সরিয়ে চোখকে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম দেবেন। চোখে পানির ঝাপটা দেবেন।

প্র: চোখে পানি দিলে জ্বালা করে।
উ: চোখ বন্ধ করে দেবেন। অথবা টিয়ার সাবসিটিউট ড্রপ দেবে। তাতেও কাজ হবে। মোট কথা চোখকে আর্দ্র রাখতে হবে।

প্র: আর মাথা-ব্যথা করলে?
উ: চোখের পাওয়ার বাড়তে পারে। বেশ কিছু দিন এমনটা হলে ডাক্তার দেখিয়ে নিতে হবে।

প্র: কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের পাওয়ার বাড়বে?
উ: হ্যাঁ। বিশেষ করে ছোটদের। একটানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ কাছের জিনিস দেখতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তখন দূরের জিনিস দেখতে অসুবিধে হয়। তাতে মায়োপিয়া হয়। মানে চোখের মাইনাস পাওয়ারটা বেড়ে যায়। ছোটদের খুব দেখা যায়। একে বলে স্টুডেন্ট মায়োপিয়া।

প্র: কিন্তু কম্পিউটার ছাড়া চলবে কী করে?
উ: নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করলে ছয় মাস অন্তর চোখের পাওয়ার পরীক্ষা করে নেওয়া দরকার। ছোটদের করতেই হবে। কম্পিউটার এমন ভাবে রাখবেন, যাতে চোখে খুব বেশি চাপ না পড়ে।

প্র: সেটা কী রকম?
উ: আমরা যখন ঘুমোই চোখের পাতা ও মণি দুটোই থাকে নীচের দিকে। মানে ওটাই চোখের বিশ্রাম অবস্থা। তাই কাজ করার সময় চোখকে সেই রকম রাখতে পারলে চোখের ওপর চাপ কম পড়ে।
এ জন্য কম্পিউটারের স্ক্রিন সব সময় আই লেভেলের নীচে রাখার চেষ্টা করবেন। যাতে চোখকে ওপরের দিকে দীর্ঘক্ষণ রাখতে না হয়। তা ছাড়া ঘাড়ের জন্যও এটা খুব দরকার।

প্র: ঘাড়েও সমস্যা হবে?
উ: হ্যাঁ। দীর্ঘক্ষণ ওপরের দিকে তাকিয়ে থাকলে ঘাড়ে ব্যথা হবে। মোট কথা পশ্চার ঠিক রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, শুয়ে বা ঘাড় কাত করে পড়াশুনো করলে বা টিভি দেখলেও কিন্তু চোখে চাপ পড়বে। তার থেকে সমস্যা হতে পারে।

প্র: শুয়ে শুয়ে বই পড়তে তো ভালই লাগে, অনেকেই তেমনটা করে থাকে…
উ: বললাম তো। চোখকে এমন ভাবে রাখতে হবে, যেন খামোকা চাপ না পড়ে। চোখ থেকে দেড় ফুট বা ৩৩ সেমি দূরে রাখতে হবে বই। আর ডিফিউস আলোয় পড়তে হবে। কম আলোয় পড়লে চোখে চাপ পড়ে।

প্র: অনেক সময় চোখে ঝাপসা দেখি। তখন কী করব?
উ: চোখে পানির ঝাপটা দেবেন। চোখ ড্রাই হলে এমনটা হতে পারে। কিন্তু যদি এমনটা প্রায়ই হয় তবে একটা চোখ চাপা দিয়ে দেখবেন অন্য চোখ দিয়ে দেখতে অসুবিধে হচ্ছে কি না। সমস্যাটা লেজি আই থেকে হচ্ছে কি না, বুঝে নিতে হবে।

প্র: লেজি আই কী ব্যাপার?
উ: একটা চোখ হয়তো খারাপ হয়েছে, সেটা দিয়ে দেখতে অসুবিধে হচ্ছে। যেহেতু দুইটি চোখ দিয়ে দেখি আমরা, একটা চোখ খারাপ হলে সেটা টের পাই না। এই ভাবে অনেক দিন পর্যন্ত ধরা পড়ে না একটা চোখ খারাপ হয়ে আছে। একে বলে লেজি আই। হয়তো কারো রেটিনাতে স্ট্রোক হয়েছে। কিছু বুঝতে পারেনি। বছরখানেক পর অন্য চোখে সমস্যা হওয়ায় ব্যাপারটা ধরা পড়ল। আগে টের না পাওয়ায় সেটার ট্রিটমেন্ট করা হয়নি। যে ক্ষতি হয়ে গেছে, তা আর ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। গ্লুকোমার ক্ষেত্রেও এমনটা তো প্রায়ই দেখা যায়।

প্র: গ্লুকোমা হলে তো একেবারে শেষ?
উ: প্রথম দিকে ধরা পড়লে অনেকটা ক্ষতি আটকানো যায়। এমন অনেক গ্লুকোমার রোগী আসেন, যাদের একটা চোখ বেশ কয়েক বছর ধরে খারাপ। কিন্তু টের পাননি। এবার যখন আর একটা চোখও বেশ খানিকটা খারাপ হতে শুরু করেছে, তখন টনক নড়ছে। তখন দেখা গেল অন্য চোখটা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। হয়তো আগে ধরা পড়লে ক্ষতি অনেকখানি আটকানো যেত।

প্র: চোখ ভাল রাখতে কী কী করব?
উ: জন্মের পর থেকেই চোখের যত্ন নিতে হবে। সদ্যোজাতর অন্যান্য চেক-আপ এর পাশাপাশি চোখও দেখিয়ে নিতে হবে। কারণ চোখের নানা সমস্যা নিয়ে জন্মাতে পারে বাচ্চা। তাই চেক-আপ করলে বেরিয়ে আসবে। ৪-৫ বছরে স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময় বাচ্চাকে চোখ দেখাতে হবে। পাওয়ারের কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে কিনা সেটা ধরা পড়বে।

প্র: কম্পিউটারে কাজ করার সময় অ্যান্টিগ্লেয়ার চশমা চোখকে সুরক্ষা দেবে?
উ: না। ও সব কোনো কাজের নয়। বরং চোখে পাওয়ার না থাকলেও ধুলো বালির মধ্যে কাজ করতে হলে জিরো পাওয়ারের চশমা পরে নেবেন।

প্র: ধুলোবালি চোখের ক্ষতি করবে?
উ: ধুলো ঢুকলে চোখ কটকট করে। তখন অনেকে চোখ ডলে দেয়। তাতে কর্নিয়ার ক্ষতি হয়ে যায়। দূষণ থেকে ত্বকের ক্ষতি হয়। চোখ ড্রাই হয়ে যায়। তাই বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে চোখে পানির ঝাপটা দেবেন।

প্র: আর খাওয়া-দাওয়া?
উ: ডায়বেটিস, হাইপারটেনশন থেকে চোখের ক্ষতি হয়। সুতরাং জাঙ্কফুড যতটা সম্ভব কম খাবেন। ভিটামিন এ, ই ও সি সমৃদ্ধ সবুজ শাকসব্জি ও ফল চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।

National Girls Programming Contest NGPC 2015

ngpc 2015
pic courtesy: prothom-alo

https://algo.codemarshal.org/contests/ngpc2015/standings

শুধু মাত্র মেয়েদের নিয়ে আজকে হয়ে যাওয়া দেশে প্রথমবারের মতন গার্লস প্রোগ্রামিং কন্টেস্টের স্পন্সর ছিল আমাদের ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়…তো র‍্যাঙ্ক লিস্টে দেশের নাম করা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলোর পাশাপাশি বেশ কয়েকটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ঊঠে এসেছে…সবার জন্য শুভকামনা…সবজায়গাতেই সত্যিকারের প্রোগ্রামিং চর্চা হচ্ছে এটা অবশ্যই ভাল কিছু বয়ে নিয়ে আসবে দেশের জন্য…আসলে এই জিনিস গুলা শেয়ার করি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ব্যাপার গুলা এখনো নতুন…আমার মত যারা প্রোগ্রামিং কে আজীবন ভয় পেয়ে আসছি তাদের কাছে এই ব্যাপার গুলা সত্যিই অনেক মোটিভেশান হিসেবে কাজ করে…..আমি নিজেও এখনো তেমন কিছুই পারি না…কিন্তু শেয়ার করলে ব্যাপার গুলা নিজেকে পুথিগত বিদ্যার পাশাপাশি প্র্যাক্টিকালি ইমপ্লিমেন্টেশানে এগিয়ে নেয়ার প্রেরণা যোগায়…

এসিএম আইসিপিসি মোটিভেশনাল সেশান

ভার্সিটির প্রথম থেকেই এসিএম কি বুঝার চেস্টা করে আসতেসি…ভার্সিটি লাইফ শেষ হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে কিন্তু এখনও তেমন একটা বুঝে উঠতে পারি নাই…তবে এসিএম নিয়ে এই ধরনের মোটিভেশনাল সেশান গুলোতে থাকার চেস্টা করি…মাথায় কিছু ঢুকলে নিজেকে আমার অনেক ভাগ্যবান বলে মনে হয় তখন…তো গতকাল আমাদের ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই ডিপার্টেমেন্ট এর হেড প্রফেসর ড. সৈয়দ আখতার হোসেন স্যারের(https://en.wikipedia.org/wiki/Syed_Akhter_Hossain) আমন্ত্রনে এসেছিলেন পৃথিবীর দ্রুততম জাজিং ইঞ্জিন কোডমার্শালের জনক, মুক্তসফট এর সিইও মাহমুদুর রহমান স্যার…

উনি এসিএম আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালিস্ট হিসেবে গতকাল অনেক কিছু শেয়ার করলেন ওনার জীবন থেকে…অনেক কিছু শিখলাম জানলাম… বিকাল ৫ঃ৩০ থেকে শুরু হওয়া এই সেশন রাত ৮ টা অবধি চলল…শেষ বেলায় ভার্সিটির হয়ে আইসিপিসির রিজিওনাল এ পারটিসিপেট করতে যাওয়া প্রোগ্রামিং কন্টেসেটেন্ট রা মঞ্চে দাড়িয়ে….. তারা আমাদের ভার্সিটির গর্ব…কারণ তারা আমাদের ভার্সিটি কে রিপ্রেজেন্ট করেন তাদের শানিত মেধা,তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর মনন দিয়ে…প্রব্লেম সল্যুশান করার মাধ্যমে…তারা আমাদের দেশের ও গর্ব কারণ তাদের কারণে আমাদের লাল সবুজ পতাকা বিভিন্ন জায়গায় শোভা পায় গর্বের সাথে…ইনফরম্যাটিক্স অলিম্পিয়াড গুলোতে আমাদের দেশ এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে… পারটিসিপেন্ট দের সবাই হয়তবা মঞ্চে নেই…তবে তাদের সবাইকে দেখলে নিজেকে এগিয়ে নেয়ার অনুপ্রেরণা পাই…মঞ্চে দাঁড়ানো এদের কেউ হয়ত বা আমাদের শ্রদ্ধেয় বড়ভাই, ব্যাচমেট অথবা ঘনিষ্ঠ বন্ধু অথবা ছোটভাই…আমরা অনেকেই হয়ত তাদেরকে কে চিনিনা রেগুলার কন্টেস্ট করি না বলে কিন্তু তারা নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যান প্রতিনিয়ত… বাংলাদেশের প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রত্যেক ব্যাচেই কিছু সেই মাপের প্রব্লেম সল্ভার থাকেন…তারা সেরকমই

আমি নিজে ভাল প্রব্লেম সল্ভার হতে পারিনাই কিন্তু আমি চাই আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই প্রব্লেম সল্ভার এবং কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামার এর সংখ্যা টা আরো বারুক…প্রব্লেম সল্ভিং এর গুরুত্বটা আমাদের ছেলে মেয়েরা বুঝুক…একটা ভাল মোবাইল অ্যাপ কিংবা ওয়েব অ্যাপ বানাতে হলে প্রব্লেম সলভ এর যে কোনো বিকল্প নাই এটা যেনো আমরা অনুধাবন করতে পারি…দেরীতে হলেও সরকারীভাবে আমাদের হাই স্কুল পর্যায়ের এনএইচসিপিসি,মেয়েদের জন্য সম্পূর্ণ একটা আলাদা কন্টেস্ট শুরু হয়েছে এটাও অনেক বড় একটা ব্যাপার.দেশের রূট লেভেল থেকে শুরু হওয়া ট্যালেন্ট খুজে বের করার এই উদ্যোগ গুলো ভাল কিছুই নিয়ে আসবে দেশের জন্য…আর ম্যাথ অলিম্পিয়াড,IOI,এসিএম ইত্যাদি ব্যাপার গুলো আমাদের দেশে আরো বেশী করে বৃদ্ধি পাক , মানুষজন ব্যাপার গুলা জানুক এই কামনায় শেষ করছি। 🙂

acm-icpc

মডুলাস অপারেটর নিয়ে কিছু কথা

ইদানিং প্রব্লেম সল্ভ করতে গিয়ে কিছু প্রব্লেম এ পড়লে দেখছি যে মডুলাস এর ধারনা টা নিজের কাছে ক্লিয়ার থাকলে অনেক সুবিধা হয় … তো নিজে শেখা পাশাপাশি শেয়ার করতে চাচ্ছি…আজকে একটু ঘাটাঘাটি করে যা শিখার চেস্টা করেছি তা…

স্ট্যাক ওভার ফ্লো এবং আরো কিছু ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি করে যা জানতে পেরেছি

61%9 বের করতে চাই আমি…তাই যা করা লাগবে আমার হাতে কলমে যদি চাই

61/9=6.77778
6.77778-6=0.77778
0.77778*9=7

এক্সাকটলি রিমেইন্ডারটাও ৭… সি তে করে দেখলে

আসলে ব্যাপারটা যেভাবে হয়

আমরা কি জানি ভাগের ক্ষেত্রে 61(ভাজ্য বা Divident)÷9(ভাজক বা Divisor)=6.77778(Quotient বা ভাগফল) আর ভাগশেষ হিসেবে যদি 7 আসে ঐটা হচ্ছে Ramainder

সি বা যেকোনো ল্যাংগুয়েজেই মডুলার অ্যারেথমেটিক বা মডুলো অপারেটর বা মডুলাস এর কাজ হচ্ছে ভাগশেষ টা বের ক রা…এটা হাতে কলমে করলে এভাবেও আসে আমার  এর আগের একটা ব্লগ পোস্টে উল্লেখ করেছি তা লিঙ্ক

কিন্তু ক্যলকুলেটর বা দ্রুততার সাথে নিজে থেকে করতে গেলে উপরের ফর্মুলাটার ব্যাখা অনেকটা এরকম

61/9=6.77778 অর্থাৎ divident/divisor=quotient
6.77778-6=0.77778 অর্থাৎ quotient বা ভাগফল – quotient বা ভাগফল এর ইন্টেজার মান
0.77778*9=7 তারপর প্রাপ্ত বিয়োগফল টাকে divisor বা ভাজক দিয়ে গুন করলেই আমাদের কাংখিত remainder বা ভাগশেষ পেয়ে গেলাম 😀

যে কারনে আমরা ইন্টেজার নিলাম কারন হচ্ছে মডুলার অ্যারেথমেটিক এর ক্ষেত্রে দশমিকের পরের মানগুলা ইগনোর করা হয়

সাধারনত Modulo দিয়ে আমরা অনেক কাজ করতে পারি

যেমনঃ একটা ভ্যালু থেকে কত মাস কতদিন হয়  সহজেই আমরা তা বের করতে পারি।
লজিকটা অনেকটা এরকম

1.Taking input from user
2.Month=input/30
3.Days=input%30

এখানে প্রাপ্ত ইনপুট কে ৩০ দিয়ে ভাগ দিলেই আমরা কত মাস তা পেয়ে যাচ্ছি(কারন এক মাস সমান ৩০ দিন) আর আরো  গভীরে যেতে হলে যেমন গুনে গুনে কত দিন হয় তা বের করতে হলে আমাদের রিমেইন্ডার বা ভাগশেষ লাগছে

আবার ধরলাম যে কেউ ২৪ ঘন্টা সময়ের হিসাবে 15:00 টা  সমান ১২ ঘন্টা হিসাবে কত তা জানতে চাচ্ছে এ ক্ষেত্রে ভাগশেষ এর নিয়ম ছাড়া কোনো গতি নেই

তো কিভাবে হবে তা দেখে নেই

১৫ কে ১২ দিয়ে ভাগ অর্থাৎ
15/12=1.25
1.25-1=0.25
0.25*12=3

অর্থাৎ ১৫টা সমান ৩ টা…কি বুঝলেন 😀 😀

চিন্তাভাবনাঃ প্রোগ্রামিং নিয়ে ভাবনা

আমি মনে করি সি দিয়েই শুরু করা উচিৎ সবার…তারপর আস্তে আস্তে সি++ বা জাভা যদি অব্জেক্ট অরিয়েন্টেড এর কাজ গুলো দরকার হয় তখন…যদিও ল্যঙ্গুয়েজ বা ভাষা একটা টুলস যা আমি গনক যন্ত্র দিয়ে কিভাবে কাজ করাবো তাতে সাহায্য করে মাত্র…আসল লজিক টা যা মাথা থেকে আসে তা জানা থাকলে যে কোনো ল্যাঙ্গুয়েজের সিন্ট্যাক্স মেনেই তা করে ফেলা সম্ভব তবে একটা ভাষা কে প্রাইমারী হিসেবে প্র্যাক্টিস করার জন্য রাখা যেতে পারে
 
আর আমাদের দেশের ক্ষেত্রে অ্যালজেবরিক ফর্মূলার সাথে পরিচয় হয় যে ক্লাস গুলা তে যেমন ক্লাস সিক্স কিংবা সেভেন এ হয়(আমাদের সময় হত এখন এর টা জানিনা)…সেসব ক্লাস থেকেই অনুশীলনীর সমস্যা গুলো সি দিয়ে সমাধান করার ব্যবস্থা থাকতে পারে…তাতে ভার্সিটি লেভেল এ এসে কঠিন কঠিন সমস্যা গুলা সমাধানে ক ম্পিউটারের সাহায্য নেয়া হয়ত তখন পানির মত সহজ বলে মনে হবে 😀 🙂

সি তে মডুলাস এর কাজ

অনলাইন জাজ গুলোতে টুকি টাকি প্রব্লেম সলভ করতে গিয়ে আজকে এক জায়গায় আটকে গিয়েছি…সেটা হচ্ছে মডুলাস অপারেটর এর কাজ ভুলে গেছি…এমন না যে বুঝিনা বা পারিনা ব্যাপারটা কিন্তু নিজেকে আরেকবার ঝালাই করে নেবার প্রয়োজনে ব্লগ টা লিখে ফেল্লাম

ইন্টারনেট ঘেটে বিভিন্ন ব্লগ,সুবিন ভাইয়ের সি এর উপর বইটার ব্লগ,নিটন এর সবার জন্য সি এ দেখে ব্যাপারটা নিজের মত করে এখানে শেয়ার করলাম

মডুলাস % এর কাজ হচ্ছে ভাগশেষ বের করা এক কথায় বলতে গেলে এমনি ব্যাপারটা…তো কাজটা কেন করব আমরা…

ধরেন অড বা বিজোড় এবং জোড় বা ইভেন কিনা কোনো নাম্বার তা বের করব আমরা…

সেক্ষেত্রে, ধরেন ইনপুট নিলাম ৫ তাহলে মড ব্যবহার করে খুব সহজেই সম্ভব…যেমন কোনো সংখ্যা জোড় তখনি হয় যখন ২ দিয়ে ভাগ দিলে তা নিঃশেষে বিভাজ্য হয় মানে এ ভাগশেষ ০ (শূন্য) হয় আর তানাহলে সংখ্যাটি  বেজোড় হয়

যেমনঃ নিচের ছবিটিতে ৫ জোড় না বেজোড় কিভাবে হয় তা দেখানো হ ল
modulus

আর সি তে তার কোড হচ্ছে এরকম