Category Archives: Thinking

প্রচন্ড কস্ট হচ্ছে

সপ্তাহখানেক ধরেই এক্সামের আগে দিয়ে জর… পরীক্ষাও দিলাম জর নিয়ে…শেষ পরীক্ষাটাও একদমই ভাল হয় নায়… হবে কিভাবে ? মাথার ভেতর যে গত কয়েকদিন যাবত অসম্ভব পেইন হচ্ছে….অনেক চেস্টা করেছি পড়া ভালভাবে শেষ করতে কিন্তু মাথা আর কাজ করতে চায় না…এগুলাতো আবার কারো সাথে শেয়ার করার অবস্থা নাই…কার এত ঠেকা পরসে!…..আমার মনে হয় আমার পুরাপুরি রেস্ট এ চলে যাওয়া দরকার জীবনের সব কিছু থেকে……আগে জীবনের এই প্রেশার কে মানিয়ে নিতে জিম করতাম প্রচুর, বডিবিল্ডিং ডট কমে অনেকের মোটীভেশনাল হেলথি লাইফস্টাইল দেখে মেইন্টেন করার চেস্টার করতাম নিজের ভেতরেও, আমেরিকান ডায়েট ফলো করতাম, তাদের ফিটনেস লাইফস্টাইল আমার অনেক ভাল লাগে সবসময়ই, সপ্তাহে নিয়মিত সাইক্লিং এর জন্য একটা দিন রাখতাম  পাশাপাশি…এখন সেই সময়টাও পাইনা…কি নিয়ে এই জীবনে বাচবো আমার জানা নাই…যেই জীবন জীবনের সব ইচ্ছারই মৃত্যু দিয়ে দিয়েছে সেই জীবনের আদৌ কি কোনো দরকার আছে ?..এর উত্তর আমার জানা নাই…. ছোট এই জীবনে গত চারবছর নিশ্চিন্তে একটা রাতও ঘুমাতে পারিনাই অ্যাকাডেমিক প্রেশারে…সব কিছু থেকে বিদায় দিয়ে দিবো একদিন…কেবল কায়িক পরিশ্রমে সময় দিব প্রচুর…জিম করব সারাদিন…পুরোনো স্ট্রেংথ ফিরিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ

টিমওয়ার্ক নিয়ে অভিজ্ঞতা !

একটা ভাল টিম তাকেই বলে যখন তার সকল মেম্বাররা সেখানে সমান ভাবে কন্ট্রিবিউট করে…একটা টিমে সব কাজ একজন করল আর বাকিরা বসে ঘাস কাটলো, বনে বাদারে ঘুড়ে বেড়ালো এটাকে কখনো টিমওয়ার্ক বলে না…একটা সফল কাজ যেমন একটা টিমওয়ার্ক থেকে আসতে পারে উদাহারণ স্বরূপ বলা যায় আজকের গুগল……কাজের সময় ফাকি মারা আর বড় বড় বুলি আওড়ানো কখনোই একটা টিম ওয়ার্কের বৈশিস্ট্য হতে পারেনা..কথায় আছে কর্মেই মানুষের পরিচয়….তুমি যখন একটা টিমের মেম্বার হও বা হতে যাচ্ছ ঠিক তখনই তোমার ওপর কিছু দায়িত্ব জন্মে যায় সেটা অনেকটা এরকম যে তোমার কারণে যেমন একটা প্রজেক্ট সফলতার মুখ দেখতে পারে আবার তোমার বৈরাগী সুলভ আর গা ছাড়া ভাবের কারনেই সেই প্রজেক্ট ধ্বসেও যেতে পারে…..এক/দুজনের ফাকিবাজি আর পিছলিয়ে যাওয়া মনোভাবের কারনে একটা ছোটো বা বড় টিমের বাকি মেম্বাররাও দেখা যায় সাফার করে…সময় নস্ট হয়…কাজের ফোকাস কমে যায়…..দেখা যায় একজনের ফাকিবাজির কারণেই কোনো কোনো প্রজেক্ট তার ডেডলাইন অনুযায়ী ফিনিশিং লাইন এর মুখ নাও দেখতে পারে….আসলে প্রত্যেকটা মানুষেরই উচিৎ তার নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী টিম ফর্ম করা কারণ সব কিছু দাম দিয়ে কেনা গেলেও নস্ট হয়ে যাওয়া সময় কখনোই দাম দিয়ে কেনা যায় না 🙂

আক্ষেপ :(

৪ বছরের ভার্সিটি লাইফ শেষের দিকে হলেও বের হয়ে একটা আক্ষেপ হয়ত থেকে যাবে…বাংলাদেশের অধিকাংশ প্রাইভেট/পাবলিক ভার্সিটি গুলোর সিএসই বা এই ধরনের সাবজেক্ট গুলোতে আস্যাইনমেন্ট,কুইজ,প্রেজেন্টেশান ইত্যাদি ইত্যাদি যতটা জোর দিয়ে করানো হয় সেটা ঠিক আছে কিন্তু এই সিস্টেম এ প্রোগ্রামিং এর লজিক ডেভেলপমেন্ট এ ঠিক ততটা জোর দেয়া হয় না…যা করার নিজেকে এই সিস্টেম এর বাইরে গিয়ে করতে হয়…কিন্তু জগদ্দল পাথরের মতন এই সিস্টেম ঘাড়ের ওপর চেপে বসে থাকে…না এইটা করতে দেয় না ঐটা আবার অনেকের মতে এই সিস্টেম এর মধ্যে কিছু করে দেখাতে পারলা না মানে তুমি খারাপ…আমার প্রশ্ন হল সবাইকেই কেন একই সিস্টেম এর মাঝে চলতে হবে ? যার যেইটা ভাল লাগে তাকে সেটার ভিত্তিতে কেন মার্কিং দেয়া হয় না ? ……এই দেশের এডুকেশান সিস্টেম টা যদি আরেকটু উন্নত হইত তাইলে আর কিছু চাইতাম না… 🙁

Art of Effective Living কোর্স এর অ্যাসাইনমেন্ট "Philosophy of My Life"

৭ম সেমিস্টারের এই কোর্স টা আমাদের মোরাল এথিকস কে জাগ্রত করার জন্য…আলহামদুলিল্লাহ সাহস করে একটা অ্যাসাইনমেন্ট লিখে ফেলেছিলাম আমাদের সবার প্রিয় রাজু স্যার কে দিব বলে…সবার সাথে তা শেয়ার করে দিলাম 🙂

ইংলিশ ল্যাঙ্গুএজেই লিখতে বসেছিলুম…তো পরক্ষনেই আবার মনে হল…আমি আসলে যা বলতে চাই তা কেন জানি আমি ইংলিশে বলতে পারলেও লিখে সম্পূর্ণ ভাবটা প্রকাশ করতে পারব না…প্রকাশ করতে মাতৃভাষাটাই লাগবে

তাই নিজের মনের প্রতি সম্মান রেখে ভাষার মাসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাই বাংলাতেই লিখবার সিদ্ধান্ত নিলাম…স্যার বেয়াদবি হলে মাফ করে দিবেন

অ্যাকাডেমিক দিক থেকে যদিও আমি কম্পিঊটার প্রকৌশল এর জ্ঞান আহরন করছি…কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু ব্যাপার নিজের ভেতর থেকে প্রচন্ড ভাবে অনুভব করি… স্যার সেটা হচ্ছে…”আসলে এই অ্যাকাডেমিক জ্ঞান টাই কি সব ?”

বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে এসে জীবনের অনেক কিছুই নতুন করে শিখেছি…অনেক ধরনের মানুষের সাথে পরিচয় হয়েছে…তাদের সাথে মিশে নিজেকে শোধরাবার সুযোগ হয়েছে…তাদের কাছ থেকে নতুন কিছু জানার সুযোগ হয়েছে
আমি একটু অন্তঃকেন্দ্রিক মানুষ ইংরেজীতে যাকে বলে ‘Introvert’ …তবে আত্মকেন্দ্রিক নই মোটেও…

আমার কারনে কারও সত্যই কোনো উপকার হলে তাকে হাসতে দেখলে মনটা ভীষণ আনন্দে ভরে যায়…

যদিও আমি তেমন একটা এক্সপেক্টেশান রাখি না কারো কাছে… কারণ এক্সপেক্টেশানে কস্ট বাড়ে

আবার যখন আমার কারনে কেউ কস্ট পায় নিজের ভেতরে প্রচন্ড ক্ষোভ জমা হয় আমার কারণে কোনো মানুষ কেনো কস্ট পাবে ?

নিজের ভুলগুলো ধরতে চেস্টা করি … কিন্তু সবসময় হয়ত তা হয়ে ঊঠে না…আল্লাহ  হয়ত আমাদের মানুষগুলোকে সুন্দর করে বানালেও হয়ত পারফেক্ট করে বানাননি হয়তবা তাই এমনটা হয়
আমি পরিশ্রম করতে ভালবাসি স্যার…নিজের মনের ভেতর থেকে যতক্ষন না একজন বলে ঊঠে তোমার কাজটা সার্থক হয়েছে… ততক্ষন নিজেকে চাঙ্গা রাখতে প্রচন্ড ইচ্ছে করে

মাঝে মাঝে যদিও অলসতা যেঁকে বসে তারপরও ঠেকে ঠেকে শিখাটাই আদর্শ বলে মনে হয়..কিংবদন্তি মার্টিন লুথার কিং বলে গেছেন “যদি তুমি উড়তে না পারো তবে তুমি দৌড়াও সেটা না পারলে তুমি হাটো আর সেটাও যদি না পার তবে তুমি হামাগুড়ি দাও কিন্তু তোমাকে আগাতে হবে ”
জীবন একটা বহমান স্রোতের মতন এর ফলগু ধারাটার সাথে নিজেকেই মানিয়ে নিতে হবে…

যদিও এখন আমি ৭ম সেমিস্টার এর একজন ছাত্র কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাউন্ডেশান ক্লাসগুলোতে আপনার ক্লাশ পাওয়া সৌভাগ্যবান কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে আমিও একজন

সেদিন প্রথম আপনার ক্লাসে শিখেছিলাম নাটক কিভাবে করতে হয় এবং প্রথম প্রথম একটু আধটু ভয় পেলেও ভয়কে পরে জয় করতে পেরেছিলাম সেদিন

স্যার আপনার মোটিভেশনাল কথাগুলো সত্যই অনেক উৎসাহ দেয়…এইতো সেদিন এক সেমিনারে আপনি বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় সার্বজনীন …এখানে ডিপার্টমেন্ট দিয়ে ছাত্র শিক্ষক এর সম্পর্ক হয় না…কারণ এই ব্যাপার টা সার্বজনীন

আসলেই স্যার ব্যাপারটা তাই…এই যে যেমন এই সেমিস্টারে আপনার ক্লাশ করছি…আপনার কথা শুনে মাঝে মাঝে নিজেকে সক্রেটিস ভাবতে প্রচন্ড ইচ্ছে হয়…নিজেকে বদলাবার প্রচন্ড ইচ্ছে হয়…মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামার একটা কথা আপনি যেমন উদাহারণ হিসেবে বলেন…”Change we need”…আসলেই তো পরিবর্তন দরকার…পরিবর্তনটা আমার নিজের ভেতর থেকে দরকার … নিজেকে বদলাতে পারলে সমাজটা বদলানো যাবে…অসুস্থ সমাজ টাকে সুস্থ করা যাবে…হয়ত Art of Effective Living এর এই কোর্স এই সব বদলানো টা পাওয়া যাবে না…কিন্তু প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বলে একটা ব্যাপার আছে…এবং অবশ্যই প্রজন্মান্তরে এই বদলাবার প্রয়াসটা সব বদলে দিবে সঠিক,সত্য, মনু্ষত্য ও সুন্দরের পথে…
আর শেখবার ব্যাপারটা তো আসলে একটা লাইফ টাইম প্রসেস…..
স্যার এই গুলোই আমার জীবনের দার্শনিকতা বা ফিলোসফি অফ মাই লাইফ
ধন্যবাদ স্যার আমার এই অগোছালো কথাগুলো এত মনোযোগ দিয়ে ও সময় নিয়ে পড়ার জন্য

বিনীত নিবেদক–
আপনার অনুগত
সৈয়দ আহমেদ জাকী
ID:131-15-2169
Section :A
Date: 06 February, 2015

644082_478188615536655_480230679_n

চিন্তাভাবনাঃ প্রোগ্রামিং নিয়ে ভাবনা

আমি মনে করি সি দিয়েই শুরু করা উচিৎ সবার…তারপর আস্তে আস্তে সি++ বা জাভা যদি অব্জেক্ট অরিয়েন্টেড এর কাজ গুলো দরকার হয় তখন…যদিও ল্যঙ্গুয়েজ বা ভাষা একটা টুলস যা আমি গনক যন্ত্র দিয়ে কিভাবে কাজ করাবো তাতে সাহায্য করে মাত্র…আসল লজিক টা যা মাথা থেকে আসে তা জানা থাকলে যে কোনো ল্যাঙ্গুয়েজের সিন্ট্যাক্স মেনেই তা করে ফেলা সম্ভব তবে একটা ভাষা কে প্রাইমারী হিসেবে প্র্যাক্টিস করার জন্য রাখা যেতে পারে
 
আর আমাদের দেশের ক্ষেত্রে অ্যালজেবরিক ফর্মূলার সাথে পরিচয় হয় যে ক্লাস গুলা তে যেমন ক্লাস সিক্স কিংবা সেভেন এ হয়(আমাদের সময় হত এখন এর টা জানিনা)…সেসব ক্লাস থেকেই অনুশীলনীর সমস্যা গুলো সি দিয়ে সমাধান করার ব্যবস্থা থাকতে পারে…তাতে ভার্সিটি লেভেল এ এসে কঠিন কঠিন সমস্যা গুলা সমাধানে ক ম্পিউটারের সাহায্য নেয়া হয়ত তখন পানির মত সহজ বলে মনে হবে 😀 🙂